Declaration of independence by Major Zia in 27th March, 1971.

Major Ziaur Rahman’s opening words in Bangla, “Ami Major Zia Bolchi”, that is, “I am Major Zia speaking”, were picked up by news agencies, and were given wide publicity across the globe. Ami Major Zia Bolchi were followed by declaration of a sovereign and independent Bangladesh, in these words:

“This is Swadhin Bangla Betar Kendra. I, Major Ziaur Rahman, at the direction of Bango Bondhu Mujibur Rahman, hereby declare that the independent People’s Republic of Bangladesh has been established. At his direction, I have taken command as the temporary head of the republic. In the name of Sheikh Mujibur Rahman, I call upon all Bengalis to rise against the attack by the west Pakistani Army. WE shall fight to the last to free our motherland. By the grace of Allah, victory is ours. Joy Bangla.”

These words were picked up first by a Japanese ship anchored in Chittagong harbour, and were flashed to the world. News of Zia’s declaration was first broadcast by Radio Australia, and the world at large came to know of birth of Bangladesh.




Liberation War of Bangladesh: NBC News Exclusive.

This is a armature footage during the Liberation War. This video was broad casted by NBC News. Watch this exclusive video which shows Pakistani Military killing Bangladeshis in a field in Dhaka University.




২৬শে মার্চ-স্বাধীনতা দিবস।

আজ ২৬শে মার্চ। বাংলাদেশ মানে আমাদের স্বাধীনতা দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনেই শুরু হয়েছিল আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধ। তার পুর্বের রাত্রে মানে ২৫শে মার্চ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এই দেশের নিরীহ মানুষের উপর চালিয়েছিল বর্বর হামলা। তারপরের ইতিহাস সবার-ই জানা। আর নতুন করে বলার কিছু নেই।

আজ সেই মহান স্বাধীনতা দিবস। আজ আমরা শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করছি সকল শহীদ-দেরকে যারা দেশের জন্য দিয়ে গেছেন প্রাণ

সবাইকে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা।

Dr. Akbar Ali Khan-The Man of Courage.

Dr. Akbar Ali Khan is one of my favorite character and I respect him a lot. So I am featuring this legend to you.

He is an economist and educationist. He was born in 1944 in Nabinagar in Brahamanbaria district. He studied History in Dhaka University and secured first place in first class in both B.A. (Hons.) and M.A. Examinations. He studied Economics in Queen’s University Canada and obtained M.A. and PhD. in Economics.

He joined the Civil Service of Pakistan (CSP) in 1967 and was posted as SDO Habiganj in 1971when the liberation war started. He actively participated in the liberation war and was sentenced to fourteen years rigorous imprisonment in absentia by a military court of the Occupation Forces. He joined the Provisional Government of the People’s Republic of Bangladesh as Deputy Secretary, Ministry of Defense and actively assisted
the war efforts.

After independence of Bangladsh in the December of 1971, Akbar Ali Khan was appointed in the Establishment Ministry of the government of Bangladesh. He worked there for six months and helped in the rehabilitation of the freedom fighters and also people who came back from Pakistan. From there he was transferred to the Education Ministry. In 1973 he decided to retire to take up teaching again as the profession. Although he submitted his resignation, Sheikh Mujibur Rahman, the then prime minister of the couসটপচ, did not accept it. Instead he was granted leave of absence with lien to teach in a university. He taught at the Jahangirnagar University until receiving the Commonwealth scholarship to pursue higher education. He studied at the Queen’s University, Canada for Ph.D in Economics. Upon his return to Bangladesh in 1979, he was shortly promoted as [Associate Professor] of the Jahangirnagar University. However, eventually he left teaching and returned to Bangladesh Civil Service.

He worked in the Environmental Ministry before his promotion as a permanent secretary to the government in 1993. In the capacity of Secretary, Internal Resources Division, he worked as the Chairman of the Natioanl Board of Revenue until 1995. Between 1995 and 2001, he worked as the Finance Secretary of the country. As he retired, government chose to nominate him as Alternative Executive Director of the World Bank, Washington where he served till 2005.

Retiring from World Bank he established Centre for Government Studies at the BRAC University. Currently he is working there as a visiting professor. Recently he has become a public face as he appears in deferent TV Talk Shows to explain the current political and economic situation of the country. Besides, he is researching the historic and economic process of the country. On 30 October 2007, Khan became the chairman of the Regulatory Reform Commission to modernize old and ineffective laws.

I came to know him only when he became the Adviser of the last Caretaker Government in November 2006. From his resume, we are informed that he was secretary of different important ministries including finance and cabinet.

Only few weeks after joining, he resigned from his post of adviser along with three of his colleagues on policy difference as he explained it. It would have been better if he predicted the inevitable before joining. Though he resigned, he attained a public image by that time. He turned himself as an expert to the public eye on present political issues and in short time he became a media personality. He almost always is a guest of honour in discussion of different forums.

Because of his experience and authority, he is taken up by the present Caretaker Government and is made the chairman of the Reform Commission. The Reform Commission is formed to rectify the age old regulations that hinders the business, service and governance as a whole.

In a meeting with Chief Adviser of the CTG recently, he suggested to publish the recommendations in the website so that people and experts can participate in the process.I personally liked the idea very much but the government didn’t materialize it so far.Dr. Akbar Ali Khan recently threatened that if the government does not publish it, he will publish it by himself.

I never heard whether a Commission can publish its recommendations without permission of the government by whom it was appointed.

He cares little for his bosses. He is the boss himself.

He recently said that the tenure of CTG is only of three months according to our constitution(which may embarrass the government) which is in contradiction to the opinion of other legal experts including Dr. Kamal Hussain. He also suggested that the CTG is a non elected government; they should not stay in power for longer period and they should hand over the power to the political government as soon as possible.

Is he a left or right or in between? A man of his stature should not be judged by this simple labeling.

He has published seven books and a. number of articles on economics, public
administration and Water resources in various national and international journals.

Our Chief Election Commissioner (CEC).

This post originally published in Xanthis WordPress Blog. I am just republishing it to my blog because I found it interesting. Read it.

________________________________________________________________

একটি গণতান্ত্রিক দেশে সরকারের যেকয়টি অংশ সরাসরি ভাবে গণতন্ত্র রক্ষার কাজে নিয়জিত থাকে, তার মাঝে প্রধান হচ্ছে নির্বাচন কমিশন। দেশে একটি সুস্থ রাজনৈতিক পরিস্থিতি বজায় রাখতে এবং সাধারণ মানুষের প্রধান দাবি দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রনে ব্যর্থ বর্তমান সরকার বারবার তাদের নির্বাচন করার সদিচ্ছাকে আকড়ে ধরতে চেয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা, অন্যান্য উপদেষ্টাসহ সেনাপ্রধান বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ডিসেম্বারে সাধারণ নির্বাচন করার উপর জোর দিয়েছেন। ব্যপারটা অনেকটা এরকম ছিল, যেন এই সরকারের কর্তাব্যাক্তিরা জনগণকে বোঝাতে চেয়েছেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রনে তো আমরা ব্যর্থই হলাম, তো আপনারা উত্তেজিত হবেননা, আমরা নির্বাচন করতে ইনশাল্লাহ ব্যার্থ হবনা। এই পয়েন্টে যে ভদ্রলোক বিশেষ ভাবে জোরালো ছিলেন, তিনি হলেন স্বয়ং প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ টি এম শামসুল হুদা। গত ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝিতে ভদ্রলোক তো রীতিমত অভিমানই করে বসলেন। ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের একটি প্রতিনিধি দল ওনার সাথে দেখা করে নির্বাচনের ব্যপারে আশাবাদ ব্যাক্ত করার পর তিনি অভিমান করে বললেন,

“বিদেশিদের তো নির্বাচন নিয়ে কোন অনিশ্চয়তা প্রকাশ করতে দেখা গেলনা, তারা তো নির্বাচনের ব্যপারে বেশ আশাবাদি। তো দেশে মানুষ নির্বাচন হবে কি হবে না সে বিষয়ে এত সন্দেহ করছেন কেন, তা তো বুঝতে পারছি না।“

প্রকৃতপক্ষে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার সাহেবের এই বুঝতে না পারার কারনেই আমার এই লেখার আবির্ভাব। প্রধান নির্বাচন কমিশনার নামটি বেশ লম্বা। আর যেহেতু আমি ওনাকে সাহেব ছাড়া আর অন্যকিছু ডাকতে আগ্রহি নই, তাই আমি এই পুরো নামটার একটা সংক্ষেপ রূপ দিলাম। প্রধান নির্বাচন কমিশনার সাহেবের বদলে আমরা বরং ওনাকে প্রনিক সাহেব নামেই ডাকি।

আগামি ডিসেম্বার মাসে নির্বাচন হবে, এই ইস্যুতে ক্যাম্পেইনিং-এর সবচেয়ে জোরালো বক্তব্য রেখেছেন ও রাখছেন প্রনিক সাহেব। মূলত ভোটার লিস্টের কাজ কদ্দূর কি এগিয়েছে, তা কদ্দূর উৎসাহব্যঞ্জক, নাকি প্রচন্ড হতাশাব্যাঞ্জক সে ব্যাপারে আমি খুব ওয়াকিবহাল নই। তাই অ্যামেরিকার তাগাদায় (নির্দেশে) বায়োমেট্রিক লিস্ট, যাকে ভোটার লিস্টএর নামে চালানো হয়ে আসছে, সেই লিস্ট তৈরির কাজ শেষ না হওয়ার কারনে নির্বাচন হবেনা এই ব্যাপারে আমি খুব নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছিনা। সেদিন দৈনিক নয়াদিগন্তের জনাব ফরহাদ মাজহারের একটি উপসম্পাদকীয় পড়ে জানা গেল, ভোটার লিস্ট তৈরির কাজ বর্তমানে যে গতিতে চলছে, তাতে ডিসেম্বারে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান স্বপ্ন হিসেবে দেখা যেতে পারে, তবে বাস্তবে তা হওয়ার সম্ভাবনা কম, হলেও তা কোনভাবেই সুষ্ঠু হিসেবে গণ্য করা যাবে না। আমি আশা করি দৈনিক নয়াদিগন্তের উপসম্পাদক আকাশ বাতাস থেকে তথ্য নিয়ে এই লেখাটি লিখেননি। এবং এই তথ্যটি যদি ঠিক হয়ে থাকে, তবে প্রনিক সাহেবের বক্তব্য গুলোকে খুব বাস্তবসম্মত হিসেবে ভাবা যাচ্ছে না। সবচেয়ে বড়কথা, তিনি নিজে বিভিন্ন রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়ে যেভাবে বিতর্ক সৃস্টি করছেন, তাতে তিনি যে নিরপেক্ষ নন, সেটা বোঝার জন্য খুব বিচক্ষন হওয়ার প্রয়োজন পড়েনা। বিএনপির সংবিধান ঠিক আছে কি নেই, সেটা যাচাই করার মাপকাঠি তিনি কোথায় পেলেন আমি জানিনা, তবে এতটুকু বলা যেতে পারে, “বিএনপির তো সংবিধানই ঠিক নেই”, এরকম অবিবেচনাপ্রসূত স্ট্রেইট ফরওয়ার্ড কথা আমি বিএনপির আর্ক রাইভাল আওয়ামি লীগের কোন নেতাকেও কখনও বলতে শুনিনি। পিস টিভিতে ড. জাকির নায়েককে বলতে শুনলাম, যাবতিয় বাজে কথার উৎপত্তি হল পাপ ঢাকার প্রয়াস থেকে। প্রনিক সাহেব মেজর হাফিজকে ‘গঠনমূলক’ আলোচনার দাওয়াতের কার্ড পাঠিয়ে যে অপকর্মটা করেছেন, সেটাকে ক্ল্যারিফাই মোটকথা হালাল করার প্রয়াসবশতই এই জাতিয় বক্তব্য গুলো আসছে, সেতা মোটামুটি নিশ্চিত। শুধু তাই নয়, প্রনিক সাহেব এর ফলোআপ হিসেবে বলেছেন,

“জনাব মান্নান ভূঁইয়ার বহিস্কারাদেশটা অবৈধ ছিল, এটা শুধু আমিই মনে করি না, কমিশনের সবাই মনে করেন। এসব বিবেচনা করেই হাফিজুদ্দিন আহমেদকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। আরে বিএনপির তো সংবিধানই ঠিক নাই। যাইহোক, এসব রাজনীতির কথা, এখানে এগুলো বলে লাভ নাই। কেচো খুড়তে সাপ বেরিয়ে আসবে।“

একটি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ সংস্থার প্রধানের পদে থেকে প্রনিক সাহেব কিভাবে এরকম বক্তব্য দিতে পারেন এবং দিয়ে টিকে থাকেন, সেটা এক মস্তবড় আশ্চর্য ব্যপার। এই প্রনিক সাহেবের নিয়ন্ত্রনে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন কিভাবে সম্ভব? দেশের মানুষকে যে প্রতিনিয়ত আশা দেখিয়ে নেয়া হচ্ছে, সেই আশা পূরণের নমুনা কি এই? রাশেদ খান মেননের মতে নির্বাচন কমিশনার সাখাওয়াত হূসেনের বক্তব্য শুনের মনে হয়েছে জামায়াত ইসলামের একজন মুখপাত্র কথা বলছেন। আর গয়েশ্বর রায়ের মতে, এরকম বিতর্কিত বক্তব্য দেয়ার পর প্রনিক সাহেবের নিজে থেকেই পদত্যাগ করা উচিত। আমি আমার এই লেখাটা শুরু করেছিলাম এই বলে, একটি গণতান্ত্রিক দেশে সরকারের যেকয়টি অংশ সরাসরি ভাবে গণতন্ত্র রক্ষার কাজে নিয়জিত থাকে, তার মাঝে প্রধান হচ্ছে নির্বাচন কমিশন। আর সেই কমিশনের প্রধান যদি প্রকাশ্যে একটি রাজনৈতিক দলের বিপক্ষে অবস্থান নেন, তবে দেশের মানুষকে বিশ্বাস হারালে তাদের কি দোষ দেয়া যায়?

২০০৮ সালের ডিসেম্বার মাসে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব নয়, এটা ভেবে নেয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।

ফলোআপ

অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আ স ম হান্নান শাহ এবং গয়েশ্বর রায় পৃথক পৃথক ভাবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ড এ টি এম শামসুল হুদার পদত্যাগ দাবি দাবি করেছেন।

 

7th March: A historical day for Bangladesh.

March 7, 1971

On 7 March 1971, Sheikh Mujibur Rahman delivered a speech at the Racecourse Ground (now called the Suhrawardy Udyan). In this speech Bangabandhu mentioned a further four-point condition to consider the National Assembly Meeting on 25 March:

1. The immediate lifting of martial law.
2. Immediate withdrawal of all military personnel to their barracks.
3. An inquiry into the loss of life.
4. Immediate transfer of power to the elected representative of the people before the assembly meeting 25 March.

This historical speech still remembered by the people of Bangladesh. And the day is also historical for Bangladeshis.

Software: Talk It!

Talk it is an software which will say what you write on it’s text writing box. An excellent helpful software for all. It will help to learn English in correct accent. I am sure you will all love to have this excellent software.

You can download this software from the following link-

Download Talk It!