জেনারেল মইন উ. আহমেদের চাকরির মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ছে.

I found this post on this site http://www.sachalayatan.com/biplobr/14002
I am republishing it to my blog.
Let’s read this article.

জেনারেল মইন উ. আহমেদের চাকরির মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ছে। আগামী জুনে তার চাকরির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিলো। আজ রাষ্ট্রপতি এক আদেশে তার চাকরির মেয়াদ বাড়ালেন।

লক্ষ্যনীয়, এই সেনা প্রধান কোনো যুদ্ধ ছাড়াই কিছুদিন আগে লেফটেনেন্ট জেনারেল থেকে জেনারেল পদে পদোন্নতি পান।

দুই. এর পর তিনি আমাদের শুনিয়েছেন, এক আশ্চর্য গণতন্ত্রের কথা। সেটি হচ্ছে, নিজস্ব ধাঁচের গণতন্ত্র – ওন ব্র্যান্ড অব ডেমোক্রেসি।

তিন. সম্প্রতি তিনি ভারতীয় সেনা বাহিনীর কাছ থেকে পেয়েছেন লাল গালিচা সম্বর্ধনা। পরে ভারতীয় সেনা প্রধান তাকে উপহার দেন ছয় – ছয়টি ঘোড়া। (নিন্দুকেরা অবশ্য বলেন, ছয় অশ্বশক্তি!)

চার. গত সপ্তাহে বাজার ঘুরে তিনি চালের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে জনগণকে আলু খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। আর গতকাল বাজারে গিয়ে বলেছেন, দেশে পর্যাপ্ত চালের মজুদ আছে। কোনো সঙ্কট নেই। আতংকের কারণে চালের দাম বাড়ছে।

কার তাতে কী!
————–

এখন কয়েকটি অনিবার্য প্রশ্ন ঘুরেফিরে আসছে:

এক. জে. মইনের চাকরির মেয়াদ বাড়ায় জাতির কী উপকার হবে?

দুই. এটি কী পুরোপুরি সামরিক শাসন জারি করার পাঁয়তারা?

তিন. দুই নম্বর প্রশ্নটির উত্তর ‘হ্যাঁ’ হলে আমরা কী নিশ্চিতভাবে প্রথমে একজন নতুন প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক, পরে নতুন একজন রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছি?

চার. এই অনিশ্চিত যাত্রার অবসান কী এ বছর ডিসেম্বরে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনের মাধ্যমেই শেষ হবে?

কে জানে এই সব ‘অবান্তর প্রশ্নের পটু উত্তর’??

দেয়ালের লিখন, না যায় খণ্ডন
—————————

জরুরী অবস্থার ভেতরেও হঠাৎ হঠাৎ কিছু দেয়াল লিখন চোখে পড়ে। একজন সহব্লগার প্রেসক্লাবের পাশের দেয়ালের একটি লিখনের কথা জানিয়েছিলেন।

সেখানে নাকি লেখা ছিলো:

মর বাঙালি না খেয়ে ভাত,
ফখরুদ্দীনের আশির্বাদ!

খবরের লিঙ্ক