জেনারেল মইন উ. আহমেদের চাকরির মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ছে.

I found this post on this site http://www.sachalayatan.com/biplobr/14002
I am republishing it to my blog.
Let’s read this article.

জেনারেল মইন উ. আহমেদের চাকরির মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ছে। আগামী জুনে তার চাকরির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিলো। আজ রাষ্ট্রপতি এক আদেশে তার চাকরির মেয়াদ বাড়ালেন।

লক্ষ্যনীয়, এই সেনা প্রধান কোনো যুদ্ধ ছাড়াই কিছুদিন আগে লেফটেনেন্ট জেনারেল থেকে জেনারেল পদে পদোন্নতি পান।

দুই. এর পর তিনি আমাদের শুনিয়েছেন, এক আশ্চর্য গণতন্ত্রের কথা। সেটি হচ্ছে, নিজস্ব ধাঁচের গণতন্ত্র – ওন ব্র্যান্ড অব ডেমোক্রেসি।

তিন. সম্প্রতি তিনি ভারতীয় সেনা বাহিনীর কাছ থেকে পেয়েছেন লাল গালিচা সম্বর্ধনা। পরে ভারতীয় সেনা প্রধান তাকে উপহার দেন ছয় – ছয়টি ঘোড়া। (নিন্দুকেরা অবশ্য বলেন, ছয় অশ্বশক্তি!)

চার. গত সপ্তাহে বাজার ঘুরে তিনি চালের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে জনগণকে আলু খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। আর গতকাল বাজারে গিয়ে বলেছেন, দেশে পর্যাপ্ত চালের মজুদ আছে। কোনো সঙ্কট নেই। আতংকের কারণে চালের দাম বাড়ছে।

কার তাতে কী!
————–

এখন কয়েকটি অনিবার্য প্রশ্ন ঘুরেফিরে আসছে:

এক. জে. মইনের চাকরির মেয়াদ বাড়ায় জাতির কী উপকার হবে?

দুই. এটি কী পুরোপুরি সামরিক শাসন জারি করার পাঁয়তারা?

তিন. দুই নম্বর প্রশ্নটির উত্তর ‘হ্যাঁ’ হলে আমরা কী নিশ্চিতভাবে প্রথমে একজন নতুন প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক, পরে নতুন একজন রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছি?

চার. এই অনিশ্চিত যাত্রার অবসান কী এ বছর ডিসেম্বরে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনের মাধ্যমেই শেষ হবে?

কে জানে এই সব ‘অবান্তর প্রশ্নের পটু উত্তর’??

দেয়ালের লিখন, না যায় খণ্ডন
—————————

জরুরী অবস্থার ভেতরেও হঠাৎ হঠাৎ কিছু দেয়াল লিখন চোখে পড়ে। একজন সহব্লগার প্রেসক্লাবের পাশের দেয়ালের একটি লিখনের কথা জানিয়েছিলেন।

সেখানে নাকি লেখা ছিলো:

মর বাঙালি না খেয়ে ভাত,
ফখরুদ্দীনের আশির্বাদ!

খবরের লিঙ্ক

২৬শে মার্চ-স্বাধীনতা দিবস।

আজ ২৬শে মার্চ। বাংলাদেশ মানে আমাদের স্বাধীনতা দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনেই শুরু হয়েছিল আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধ। তার পুর্বের রাত্রে মানে ২৫শে মার্চ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এই দেশের নিরীহ মানুষের উপর চালিয়েছিল বর্বর হামলা। তারপরের ইতিহাস সবার-ই জানা। আর নতুন করে বলার কিছু নেই।

আজ সেই মহান স্বাধীনতা দিবস। আজ আমরা শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করছি সকল শহীদ-দেরকে যারা দেশের জন্য দিয়ে গেছেন প্রাণ

সবাইকে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা।

Our Chief Election Commissioner (CEC).

This post originally published in Xanthis WordPress Blog. I am just republishing it to my blog because I found it interesting. Read it.

________________________________________________________________

একটি গণতান্ত্রিক দেশে সরকারের যেকয়টি অংশ সরাসরি ভাবে গণতন্ত্র রক্ষার কাজে নিয়জিত থাকে, তার মাঝে প্রধান হচ্ছে নির্বাচন কমিশন। দেশে একটি সুস্থ রাজনৈতিক পরিস্থিতি বজায় রাখতে এবং সাধারণ মানুষের প্রধান দাবি দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রনে ব্যর্থ বর্তমান সরকার বারবার তাদের নির্বাচন করার সদিচ্ছাকে আকড়ে ধরতে চেয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা, অন্যান্য উপদেষ্টাসহ সেনাপ্রধান বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ডিসেম্বারে সাধারণ নির্বাচন করার উপর জোর দিয়েছেন। ব্যপারটা অনেকটা এরকম ছিল, যেন এই সরকারের কর্তাব্যাক্তিরা জনগণকে বোঝাতে চেয়েছেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রনে তো আমরা ব্যর্থই হলাম, তো আপনারা উত্তেজিত হবেননা, আমরা নির্বাচন করতে ইনশাল্লাহ ব্যার্থ হবনা। এই পয়েন্টে যে ভদ্রলোক বিশেষ ভাবে জোরালো ছিলেন, তিনি হলেন স্বয়ং প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ টি এম শামসুল হুদা। গত ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝিতে ভদ্রলোক তো রীতিমত অভিমানই করে বসলেন। ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের একটি প্রতিনিধি দল ওনার সাথে দেখা করে নির্বাচনের ব্যপারে আশাবাদ ব্যাক্ত করার পর তিনি অভিমান করে বললেন,

“বিদেশিদের তো নির্বাচন নিয়ে কোন অনিশ্চয়তা প্রকাশ করতে দেখা গেলনা, তারা তো নির্বাচনের ব্যপারে বেশ আশাবাদি। তো দেশে মানুষ নির্বাচন হবে কি হবে না সে বিষয়ে এত সন্দেহ করছেন কেন, তা তো বুঝতে পারছি না।“

প্রকৃতপক্ষে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার সাহেবের এই বুঝতে না পারার কারনেই আমার এই লেখার আবির্ভাব। প্রধান নির্বাচন কমিশনার নামটি বেশ লম্বা। আর যেহেতু আমি ওনাকে সাহেব ছাড়া আর অন্যকিছু ডাকতে আগ্রহি নই, তাই আমি এই পুরো নামটার একটা সংক্ষেপ রূপ দিলাম। প্রধান নির্বাচন কমিশনার সাহেবের বদলে আমরা বরং ওনাকে প্রনিক সাহেব নামেই ডাকি।

আগামি ডিসেম্বার মাসে নির্বাচন হবে, এই ইস্যুতে ক্যাম্পেইনিং-এর সবচেয়ে জোরালো বক্তব্য রেখেছেন ও রাখছেন প্রনিক সাহেব। মূলত ভোটার লিস্টের কাজ কদ্দূর কি এগিয়েছে, তা কদ্দূর উৎসাহব্যঞ্জক, নাকি প্রচন্ড হতাশাব্যাঞ্জক সে ব্যাপারে আমি খুব ওয়াকিবহাল নই। তাই অ্যামেরিকার তাগাদায় (নির্দেশে) বায়োমেট্রিক লিস্ট, যাকে ভোটার লিস্টএর নামে চালানো হয়ে আসছে, সেই লিস্ট তৈরির কাজ শেষ না হওয়ার কারনে নির্বাচন হবেনা এই ব্যাপারে আমি খুব নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছিনা। সেদিন দৈনিক নয়াদিগন্তের জনাব ফরহাদ মাজহারের একটি উপসম্পাদকীয় পড়ে জানা গেল, ভোটার লিস্ট তৈরির কাজ বর্তমানে যে গতিতে চলছে, তাতে ডিসেম্বারে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান স্বপ্ন হিসেবে দেখা যেতে পারে, তবে বাস্তবে তা হওয়ার সম্ভাবনা কম, হলেও তা কোনভাবেই সুষ্ঠু হিসেবে গণ্য করা যাবে না। আমি আশা করি দৈনিক নয়াদিগন্তের উপসম্পাদক আকাশ বাতাস থেকে তথ্য নিয়ে এই লেখাটি লিখেননি। এবং এই তথ্যটি যদি ঠিক হয়ে থাকে, তবে প্রনিক সাহেবের বক্তব্য গুলোকে খুব বাস্তবসম্মত হিসেবে ভাবা যাচ্ছে না। সবচেয়ে বড়কথা, তিনি নিজে বিভিন্ন রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়ে যেভাবে বিতর্ক সৃস্টি করছেন, তাতে তিনি যে নিরপেক্ষ নন, সেটা বোঝার জন্য খুব বিচক্ষন হওয়ার প্রয়োজন পড়েনা। বিএনপির সংবিধান ঠিক আছে কি নেই, সেটা যাচাই করার মাপকাঠি তিনি কোথায় পেলেন আমি জানিনা, তবে এতটুকু বলা যেতে পারে, “বিএনপির তো সংবিধানই ঠিক নেই”, এরকম অবিবেচনাপ্রসূত স্ট্রেইট ফরওয়ার্ড কথা আমি বিএনপির আর্ক রাইভাল আওয়ামি লীগের কোন নেতাকেও কখনও বলতে শুনিনি। পিস টিভিতে ড. জাকির নায়েককে বলতে শুনলাম, যাবতিয় বাজে কথার উৎপত্তি হল পাপ ঢাকার প্রয়াস থেকে। প্রনিক সাহেব মেজর হাফিজকে ‘গঠনমূলক’ আলোচনার দাওয়াতের কার্ড পাঠিয়ে যে অপকর্মটা করেছেন, সেটাকে ক্ল্যারিফাই মোটকথা হালাল করার প্রয়াসবশতই এই জাতিয় বক্তব্য গুলো আসছে, সেতা মোটামুটি নিশ্চিত। শুধু তাই নয়, প্রনিক সাহেব এর ফলোআপ হিসেবে বলেছেন,

“জনাব মান্নান ভূঁইয়ার বহিস্কারাদেশটা অবৈধ ছিল, এটা শুধু আমিই মনে করি না, কমিশনের সবাই মনে করেন। এসব বিবেচনা করেই হাফিজুদ্দিন আহমেদকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। আরে বিএনপির তো সংবিধানই ঠিক নাই। যাইহোক, এসব রাজনীতির কথা, এখানে এগুলো বলে লাভ নাই। কেচো খুড়তে সাপ বেরিয়ে আসবে।“

একটি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ সংস্থার প্রধানের পদে থেকে প্রনিক সাহেব কিভাবে এরকম বক্তব্য দিতে পারেন এবং দিয়ে টিকে থাকেন, সেটা এক মস্তবড় আশ্চর্য ব্যপার। এই প্রনিক সাহেবের নিয়ন্ত্রনে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন কিভাবে সম্ভব? দেশের মানুষকে যে প্রতিনিয়ত আশা দেখিয়ে নেয়া হচ্ছে, সেই আশা পূরণের নমুনা কি এই? রাশেদ খান মেননের মতে নির্বাচন কমিশনার সাখাওয়াত হূসেনের বক্তব্য শুনের মনে হয়েছে জামায়াত ইসলামের একজন মুখপাত্র কথা বলছেন। আর গয়েশ্বর রায়ের মতে, এরকম বিতর্কিত বক্তব্য দেয়ার পর প্রনিক সাহেবের নিজে থেকেই পদত্যাগ করা উচিত। আমি আমার এই লেখাটা শুরু করেছিলাম এই বলে, একটি গণতান্ত্রিক দেশে সরকারের যেকয়টি অংশ সরাসরি ভাবে গণতন্ত্র রক্ষার কাজে নিয়জিত থাকে, তার মাঝে প্রধান হচ্ছে নির্বাচন কমিশন। আর সেই কমিশনের প্রধান যদি প্রকাশ্যে একটি রাজনৈতিক দলের বিপক্ষে অবস্থান নেন, তবে দেশের মানুষকে বিশ্বাস হারালে তাদের কি দোষ দেয়া যায়?

২০০৮ সালের ডিসেম্বার মাসে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব নয়, এটা ভেবে নেয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।

ফলোআপ

অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আ স ম হান্নান শাহ এবং গয়েশ্বর রায় পৃথক পৃথক ভাবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ড এ টি এম শামসুল হুদার পদত্যাগ দাবি দাবি করেছেন।

 

মহাকাশ গবেষনা :: SETI কিভাবে কাজ করে-ড. মশিউর রহমান।

এটি বেশ পুরানো একটি আরটিকেল যা আমি বিজ্ঞানী.কম ওয়েব সাঈট থেকে পেয়েছি। আপনাদের জন্য এটি পুনঃমুদ্রণ করলাম আমার ব্লগটিতে। এটি লিখেছেন ড। মশিউর রহ্মান।

আসল মুদ্রণটি আপনি নিম্নোক্ত লিঙ্ক থেকে পাবেন-
http://biggani.com/content/view/14/121/

_______________________________________________________________

আমরা কি এই মহাকাশে একলা? মানুষ ছাড়া এই মহাজগতে আর কি কোন গ্রহে কেউ নেই? এই প্রশ্ন এর মুখোমুখি আমরা সেই প্রাচীনকাল থেকে৷ এই যে এত বিশাল মহাকাশ, কোটি কোটি গ্রহ নত্র এর মধ্যে একটিতেও কি মানুষের মত কোন বুদ্ধিমান প্রাণী এর আবির্ভাব হয়নি? একলা মানুষ সুদূর আকাশের দিকে তাকিয়ে এই প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছে তার নিজের কাছে৷ মানুষের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যত এগিয়েছে মানুষ ততই এই প্রশ্নগুলি উত্তর খুঁজে পাবার চেষ্টা করেছে৷ আমরা কি এই মহাকাশে একলা? মানুষ ছাড়া এই মহাজগতে আর কি কোন গ্রহে কেউ নেই? এই প্রশ্ন এর মুখোমুখি আমরা সেই প্রাচীনকাল থেকে৷ এই যে এত বিশাল মহাকাশ, কোটি কোটি গ্রহ নত্র এর মধ্যে একটিতেও কি মানুষের মত কোন বুদ্ধিমান প্রাণী এর আবির্ভাব হয়নি? একলা মানুষ সুদূর আকাশের দিকে তাকিয়ে এই প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছে তার নিজের কাছে৷ মানুষের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যত এগিয়েছে মানুষ ততই এই প্রশ্নগুলি উত্তর খুঁজে পাবার চেষ্টা করেছে৷
আমাদের বর্তমান টেকনলজি দিয়ে মানুষ এর পক্ষে একটা দূরত্বের পরে আর অতিক্রম করা সম্ভব নয়৷ এর মধ্যে সবথেকে আলোচিত মাধ্যম হল রেডিও তরঙ্গ৷ যদি অন্য কোন গ্রহ থেকে কেউ মানুষ এর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে তবে রেডিও তরঙ্গ এর মাধ্যমেই সম্ভব৷ আর যদি তা হয়ে থাকেই, তবে মহাকাশ থেকে যে রেডিও তরঙ্গ আসছে তা পর্যবেন করে দেখা উচিত৷ এই উদ্দেশ্য কে সামনে রেখে Search for Extraterrestrial Intelligence সংক্ষেপে শুরু হয়৷ প্রথম SETI নিয়ে আলোচনা শুরু হয় ১৯৫৯ সনে৷ Drs. Philip Morrison এবং Guiseppe Coconni সেই সময় Nature পত্রিকাতে প্রথম Searching for Interstellar Communication নামে একটি প্রবন্ধ লিখেন৷ সেটিই এই SET এর সূত্রপাত ঘটায়৷
Contact সিনেমাতে এইরকমই Ellie Arroway ও তার সঙ্গী গবেষকরা আকাশের রেডিও তরঙ্গ বড় বড় টেলিস্কোপ দিয়ে পর্যবেন করে ও পরিশেষে তারা একটি গ্রহ থেকে তরঙ্গ পায় এবং তা দিয়ে তারা মহাকাশযান তৈরী করে৷ কিন্তু কল্পনার সেই জগত নয় বাস্তবেও ঠিক একই রকম কাজ হচ্ছে৷

মহাকাশ থেকে যে রেডিও তরঙ্গ আসছে তার প্রায় সবই Noise এ ভরা থাকে৷ উপরের চিত্রে এমনি একটি Arecibo রেডিও টেলিস্কোপ এর ছবি৷ মহাকাশ এর রেডিও তরঙ্গগুলি গুলিতে যে সব তথ্য থাকে তা নিচের চিত্রে দেখান হয়েছে৷ মহাকাশের অন্য কোন গ্রহ থেকে বুদ্ধিমান কেউ যদি রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে কোন তথ্য পাঠায় তবে তা এই তরঙ্গগুলির মধ্যে কোথায় না কোথাও খুঁজলে পাওয়া যাবে৷ এছাড়া যদি কোন সিগনাল কোন গ্রহ থেকে পাঠানও হয় তবে কত চ্যানেলে পাঠাচ্ছে তা জানাও একটি বড় সমস্যা৷ কেননা অসংখ্য চ্যানেল দিয়ে তা পাঠান সম্ভব৷ ব্যাপারটা অনেকটা আমাদের সাধারণ রেডিও এর চ্যানেল এর সাথে মিল আছে৷ কোন রেডিও স্টেশন ধরবার জন্য রেডিওর নব ঘুরিয়ে আমরা চ্যানেল পরিবর্তন করতে থাকি৷ কিন্তু মহাকাশের রেডিও তরঙ্গকে পর্যবেন করবার জন্য অনেক বড় রেডিও টেলিস্কোপ দরকার এবং সেগুলি পর্যবেন করবার জন্য অনেক সুপার কম্পিউটার দিয়ে যাচাই করা দরকার৷ কিন্তু একক কোন প্রতিষ্টান বা গবেষনা কেন্দ্রের পক্ষে এই বিশাল ক্যালকুলেশন করা কঠিন৷

১৯৯৯ সনে বার্কলে বিশ্ববিদ্যালয়ে Dan
werthimer‍ ও David P. Anderson দুজন বিজ্ঞানী SERENDIP প্রজেক্ট এ কাজ করছিলেন৷ তারা দেখেন যে Arecibo এন্টিনা থেকে যে তথ্য প্রজেক্ট এ ব্যাবহৃত হয় তার একটা বৃহত্‍ অংশই পর্যবেণ করে দেখা হয়না৷ তা দেখবার জন্য বিশাল বিশাল সুপার কম্পিউটারের প্রয়োজন৷ কিন্ত যদি সেই তথ্যগুলিকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে ভাগ করে নেয়া হয় তবে সাধারণ কম্পিউটার এর মাধ্যমে ক্যালকুলেশন করে পর্যবেন করে দেখা সম্ভব৷ সাধারণ কম্পিউটার ব্যাবহারকারীরা যখন তাদের কম্পিউটার ব্যাবহার করে না তখন এই ক্যালকুলেশনের জন্য কম্পিউটারটি ব্যবহার করা যায়৷ তারা Seti@home নামের একটি স্ক্রিণসেভার (Screensaver) তৈরী করেন৷ স্ক্রিণসেভার হল একটি সাধারণ প্রোগ্রাম যখন কম্পিউটার দীর্ঘণ ব্যবহার করেন না তখন তা চালু হয় ও স্ক্রীনে বিভিন্ন ছবি দেখা যায়৷ এই স্ক্রিণসেভারটি বার্কলে বিশ্ববিদ্যালয়ের Seti হোমপেজ থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন৷
http://setiathome.ssl.berkeley.edu

SETI@home কিভাবে কাজ করে:
Seti এর ক্ষেত্রে বড় বড় রেডিও টেলিস্কোপ দিয়ে মহাকাশের রেডিও তরঙ্গগুলিকে Seti এর কম্পিউটারে রেকর্ড করে রাখা হয়৷ সেই তথ্যগুলিকে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ইউনিটে ভাগ করে রাখ হয়৷ যখন কেউ এই Seti প্রোগ্রাম তার কম্পিউটারে ইন্সটল করে, তখন তার কম্পিউটার না ব্যবহার করবার সময় স্ক্রিণসেভারটি অটোমেটিক চালু হয় এবং তা Seti এর কম্পিউটার থেকে একটি করে কাজের ইউনিট ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডাউনলোড করে নিয়ে আসে৷ Seti এর কম্পিউটার প্রোগ্রামটি সেই তরঙ্গের ভিতর কোন গুরুত্বপূর্ণ ডাটা আছে কিনা তা যাচাই করে৷ একটি ইউনিট এর কাজ শেষ করতে প্রায় ১২ ঘন্টা লাগে৷ অবশ্য তা কম্পিউটারের ক্ষমতার উপর নির্ভর করে৷ একটি ইউনিট এর কাজ যাচাই করে শেষ করার পর, সেই ফলাফল Seti এর মূল কেন্দ্রে আবার ইন্টারনেটের মাধ্যমে পাঠিয়ে দেয়৷ এইভাবে সারা পৃথিবীতে অসংখ্য প্রোগ্রাম সব সময তথ্য বিশ্লেষন করে দেখছে৷ যদিও এইসব বড় বড় ক্যালকুলেশন এর কাজ করবার জন্য সাধারণ কম্পিউটারের পরিবর্তে সুপার কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় কিন্তু কাজগুলিকে ছোট ছোট ইউনিটে ভাগ করে নেবার কারণে সাধারন কম্পিউটার দিয়েও মহাকাশ থেকে আসা তথ্য বিশ্লেষন করা সম্ভব৷ যেখানে সুপার কম্পিউটার দিয়ে করার ফলে অনেক খরচ হয় সেখানে এই পদ্ধতিতে প্রায় বিনা মূল্যে করা সম্ভব৷ ঝবঃর এর বর্তমান ব্যাবহারকারীর সংখ্যা এর ৪৫,৭৬,১১৫ (এই প্রবন্ধটি লিখবার সময়)৷ ৪৫ কোটি লোকজন তাদের কম্পিউটার যখন ব্যবহার করে না তখন এইভাবে বিজ্ঞানের জন্য তারা তাদের কম্পিউটারটি ব্যবহার করে৷ আর এখন পর্যন্ত সবাই মিলে যে ১৫৩১০৯৫.৭৮৬ বছরের সমান কম্পিউটার ব্যবহার করেছে৷ এর মধ্যে বাংলাদেশের মোট ৩১৯ জন এই ঝবঃর প্রোজেক্টে অংশ নিয়েছে৷ তবে ঝবঃর এর কাজ সফল করবার জন্য আরো সচেতনতার প্রয়োজন৷ আপনি খুব সহজে প্রগ্রামটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করে নিয়ে অন্যান্য বিজ্ঞানীদের সাথে এই প্রজেক্টে অংশ নিতে পারেন৷
Seti@home এর ১০০,০০০; ৭৫,০০০; ৫০,০০০; ২৫,০০০; ১০,০০০; ৭,৫০০; ৫,০০০; ২,৫০০; ১,০০০; ৭৫০; ৫০০; ২৫০ ও ১০০ টি ইউনিট কাজ শেষ করলে Seti@home থেকে একটি সার্টিফিকেট দেয়৷ যেটি আপনার একটি ব্যক্তিগত ক্রেডিট হিসাবে বিবেচিত হবে৷
বর্তমানে প্রতিবছরই কম্পিউটারের দাম কমছে৷ আমরা খুব অল্প সময়ের জন্য আমাদের কম্পিউটার ব্যবহার করি, কিন্তু যখন কম্পিউটারটি ব্যবহার করিনা, তখন এই প্রজেক্ট এ অংশ নিয়ে আমাদের কম্পিউটারের একটি সুন্দর ব্যবহার করতে পারি৷ ফলে যখন কম্পিউটারের দাম কমে যাবে তখন অন্তত এই বলে সান্তনা পেতে পারি যে আমাদের কম্পিউটারটি বিজ্ঞান এর জন্য কিছু কাজ করছে৷
অবশ্য এর বিপরীতে অনেকই এই Seti কে অর্থ ও সময়ের অপচয় বলে মনে করেন৷ কেননা আজ পর্যন্ত এই প্রজেক্টের ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট কোন আশার আলো দেখা যায়নি৷ আজ পর্যন্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে তাতে শুধু মাত্র কিছু Noise পাওয়া গেছে৷ অন্য কোন গ্রহের কোন পাঠান তথ্য পাওয়া যায়নি৷ কিন্তু আমি ব্যক্তিগত ভাবে মনে করি যে, যদিও তাতে কারো পাঠান কোন তথ্য নাও পাই তবুও এটা তো অন্তত আমরা সুষ্পষ্ট ভাবে বলতে পারবো যে সেখানে কারো পাঠান কোন তথ্য নেই৷ যদি তা না দেখতাম তবে তা অজানাই থেকে যেত৷ ব্যাপারটা অনেক অন্ধকার ঘরের মত৷ যদি আপনার পাশে কোন অন্ধকার ঘর থাকে আর যদি তা আলো জ্বেলে দেখেন যে, সেই ঘরে কিছুই নেই৷ তবে সেই আলো জ্বেলে দেখার হয়তো কোন মূল্য নেই৷ কিন্তু যদি সেই অন্ধকার ঘরটি না দেখতেন, তবে জানতে পারতেননা যে তাতে কি আছে৷ আলো জ্বেলে পরখ করে দেখলে, এইটুকু অন্তত সন্দেহাতিত ভাবে বলতে পারেন যে, ওই ঘরে কিছু নেই৷ Seti@home এর ব্যাপারটাও সেইরকম৷

অদেখা স্বর্গ-আর্টসেল.

আজ আমি আপনাদের একটি গানের লিরিক পোস্ট করলাম। এটি আমার একটি অত্যন্ত প্রিয় গান। আপনারা গান টি শুনে দেখতে পারেন যদি না শুনে থাকেন। আশা করি গানটি আপনাদের ভাল লাগবে।

—————————–

ব্যান্ড — আর্টসেল

আ্যালবাম — ছাড়পত্র

—————————–

এই ঘরে ফেরা নিজেকে ফিরে দেখা
আয়নাতে কার মায়া
আঁধারের আলো ছায়া
আমার সাথে চলে
তোমাকে নিয়ে একা

অজানা যে আকাশে ওড়ে
অদেখা কোন স্বর্গ আমার
না পাওয়া তবু পথ দেখায়
আশাতে হতাশা ভোলায়

যতবার জন্মেছি তোমারই আশাতে
ততবার আবার এই ফিরে চলা
দুর থেকে দেখা
আমার এ ভালোবাসা

অজানা যে আকাশে ওড়ে
অদেখা কোন স্বর্গ আমার
না পাওয়া তবু পথ দেখায়
আশাতে হতাশা ভোলায়

আমার ঘৃনা তোমাকে পোড়াবে না
দেখাবে স্বপ্ন
আমার দুঃখ তোমার আকাশে
মেঘ হয়ে কাঁদাবে না

আমার ফেলে আসা দুঃস্বপ্নের রাত
যত কষ্টের স্মৃতি
তোমার জন্য বাঁচতে শেখাবে
মৃত্যু হয়ে ছোঁবে না

কত মিথ্যে অভিনয়ে গড়া এ জীবন
অচেনা ছোঁয়ায়

অজানা যে আকাশে ওড়ে
অদেখা কোন স্বর্গ আমার
না পাওয়া তবু পথ দেখায়
আশাতে হতাশা ভোলায়

আপনি গানটি নিচের সাইট থেকে থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারেন-

www.polapain.com

ঘূর্ণিঝড় সিডর

ঘূর্ণিঝড় সিডর (অতি মারাত্নক ঘূর্ণিঝড় সিড্‌র, ইংরেজিতে Very Severe Cyclonic Storm Sidr)।ঘূর্ণিঝড় সিডর ২০০৭ সালে বঙ্গোপসাগরে এলাকায় সৃষ্ট একটি ঘূর্ণিঝড়। ২০০৭ সালে উত্তর ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের মধ্যে এটি ৪র্থ নামকৃত ঘূর্ণিঝড়। এটির আরেকটি নাম ট্রপিক্যাল সাইক্লোন ০৬বি (Tropical Cyclone 06B)। শ্রীলংকান শব্দ ‘সিডর’ বা ‘চোখ’-এর নামের এর নাম করণ করা হয়েছে।

১৫ নভেম্বর সকাল বেলা পর্যন্ত বাতাসের বেগ ছিল ঘন্টায় ২৫০ কিমি/ঘন্টা এবং ৩০৫ কিমি/ঘন্টা বেগে দমকা হাওয়া বইছিলো। একারনে সাফির-সিম্পসন স্কেল অনুযায়ী একে ক্যাটেগরি-৪ মাত্রার ঘূর্ণিঝড় আখ্যা দেয়া হয়।

[ঝড়ের ক্যাটাগরি ভাগ করার সবচেয়ে জনপ্রিয় নিয়মের নাম হচ্ছে ১৯৬৯ সালে আবিষকৃত ‘সাফির-সিম্পসন হ্যারিকেন স্কেল’। এই নিয়মে বাতাসের গতিবেগ হিসাবে এক থেকে পাঁচ পর্যন্ত মোট পাঁচটা ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয় ঝড়গুলোকে।

ক্যাটাগরি এক – প্রতি ঘন্টায় ১১৯ থেকে ১৫৩ কিলোমিটার
ক্যাটাগরি দুই – প্রতি ঘন্টায় ১৫৪ থেকে ১৭৭ কিলোমিটার
ক্যাটাগরি তিন – প্রতি ঘন্টায় ১৭৮ থেকে ২১০ কিলোমিটার
ক্যাটাগরি চার – প্রতি ঘন্টায় ২১১ থেকে ২৫০ কিলোমিটার
ক্যাটাগরি পাঁচ – প্রতি ঘন্টায় ২৫০ কিলোমিটার বা তার থেকে বেশি ]

আবার বাতাসের গতি যখন প্রতি ঘন্টায় ৭৪ মাইলের বেশি হয়ে যায়, তখনই তাকে হ্যারিকেন বলা হয়। সিডর ছিল একটি হ্যারিকেন।

এখন পর্যন্ত আনুমানিক ৩,০০০ এরও বেশি মানুষের প্রাণহানী হয়েছে।

(বিস্তারিত জানতে নিচের লিঙ্কটিতে ক্লিক করুন।) Continue reading

গাড়ি চলে না, চলে না, চলে না রে গাড়ি চলে না…