Tribute to the shaheed members of the Bangladesh Army and Bangladesh Rifle’s (BDR) who sacrificed their lives for the beloved motherland – Bangladesh.

Tribute to the shaheed members of the Bangladesh Army and Bangladesh Rifle’s (BDR) who sacrificed their lives for the beloved motherland – Bangladesh.

Artist: By Hyder Husyn.
Proudly brought to you by bdmilitary.com

I  just post the Video Song to share this with you.

[Youtube=http://www.youtube.com/watch?v=FSkZbHOIpyU]

Writing With a Broken Heart : This Time The ‘Politics’

The Article Originally Pulished on http://comilla.wordpress.com/
I am republishing it here without any editing.
___________________________________________________________________

একজন বাংলাদেশী, যে তার দেশকে ভালোবাসে, যে তার দেশের সেনানীদের বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠজ্ঞান করে, যে দেশকে আক্রান্ত হতে দেখলে নিজেদের ভেতর মতাদর্শের বিভাজনকে গৌণ মনে করে, দেশের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে দেখবার জন্য ছটফট করে, তার মন ভেঙ্গে দেয়ার জন্যে পিলখানার ঘটনাটি যথেষ্ট ছিল। স্বাধীন বাংলাদেশে দেশের সেনাবাহিনীর উপর এত বড় আঘাত আর হয়নি। ঘটনাটি যেদিন ঘটে সেদিন কেউই বুঝে উঠতে পারেননি যে আসলে কি হয়েছে কিংবা এই অবস্থায় কি মনোভাব প্রদর্শন করা প্রয়োজন। যখন পিলখানার ভেতরে ও আশেপাশে পাওয়া যেতে থাকল দেশের গর্বের সন্তানদের ক্ষতবিক্ষত দেহ, তখন আর কারওরই বুঝতে বাকি থাকেনি যে এ কোন বিদ্রোহ, অসন্তোষ ও ক্ষোভের ফল হতে পারেনা। এ দেশের নিরাপত্তা বুহ্যের উপর এক আচমকা ও নৃশংস আঘাত, যা বাংলাদেশের শত্রুরা ঘটিয়েছে। বাংলাদেশের ক্ষতি হলে যাদের লাভ হয়, বাংলাদেশ এগিয়ে গেলে যাদের ক্ষতি হয়, তারাই এই কান্ড ঘটিয়েছে। এই ঘটনার ধারক বাহক যারা, তারা এই দেশের কেউ হতে পারে না, খোঁজ নিলে জানা যাবে কাগজে কলমে তারা হয়তো এদেশেরই মানুষ, কিংবা নয়, কিন্ত তারা বাংলাদেশের ঘৃণ্যতম শত্রু। এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান ঘটনাগুলো পিলখানার ভেতর ঘটলেও ধারণা করা কঠিন নয় যে পরিকল্পনা ছিল দেশের আরও ক্ষতি করার। দেশের সেনাবাহিনীতে চূড়ান্ত ক্ষোভের সঞ্চার করে সেখান থেকে প্রতিক্রিয়া আসতে পারে এমনটা আশা করা স্বাভাবিক, এমনটা ঘটতেই পারত। সেক্ষেত্রে দেশকে ইতমধ্যেই যে পরিমাণ দূর্বল করা হয়েছে, দেশ তার থেকে আরও অনেক বেশি দূর্বল হয়ে পড়ত। পরম করুণাময়ের কাছে অশেষ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি যে তা অবশেষে ঘটেনি। আবেগ ও ক্ষোভের বশে তাৎক্ষণাৎ প্রতিক্রিয়া প্রদর্শনের চেয়ে ধৈর্য্য ও দক্ষতার সাথে পরিস্থিতি সামাল দেয়াকেই আমাদের সশস্ত্র বাহিনী সঠিক মনে করেছে। এতে সেনাবাহিনীর প্রতি দেশের মানুষের শ্রদ্ধা বেড়েছে, সেনাবাহিনীর অধিনায়কদের প্রতি শ্রদ্ধা ও আস্থা বেড়েছে। আমরা আশা করি নিয়মতান্ত্রিক ভাবে ধাপে ধাপে এগিয়ে আমাদের সেনাবাহিনী দেশের উপর এই নৃশংস আক্রমনের নেপথ্য খুঁজে বের করবেন, এই ঘটনার দায়ীদের বিচারের সামনে উপস্থিত করবেন ও দেশের শত্রুদের নিধন করবেন।

আমাদের দেশে রাজনীতির সাথে জড়িত ব্যাক্তিবর্গ দেশের স্বার্থকে পাশ কাটিয়ে যখন একান্তই নিজ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেন, তখন তাকে আমরা বলি রাজনীতির নোংরা খেলা, কিংবা ডার্টি গেম। পিলখানায় সার সার পড়ে থাকা অফিসারদের মৃতদেহ গুলো দেখে মনে ভেঙ্গে গিয়েছিল। কিন্তু তারপরও সংশ্লিষ্ট সবার বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনীর অশ্রুসজল অথচ ধীরস্থির অবস্থান দেখে একটু একটু করে মনোবল ফিরে পাচ্ছিলাম। এই বোধটা জাগ্রত হতে শুরু করেছিল যে ঠিক সময় আমরা ঠিকই একতা ও মনোবল ফিরে পাই। কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় বাধ সাধছে দেশের রাজনীতি। আজ সংসদ অধিবেশনে জনপ্রতিনিধিদের বক্তব্যদানের ধরণ দেখে নিরাশ না হয়ে উপায় ছিলনা। আমি পুরো অধিবেশনটির সম্প্রচার দেখিনি। কিন্তু একদেড় ঘন্টা যাই দেখেছি, তাতে পারষ্পরিক দোষারোপ ছাড়া কিছুই ছিলনা। বিশেষ করে এই ক্রন্দনরত হৃদয়ে সবচেয়ে শক্তিশালী আঘাতটা বোধ হয় করলেন আমাদের স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী। শুনেছি ওয়াশিংটন পোস্ট, টেলিগ্রাফ, গার্ডিয়ান নাকি গত কয়েকদিনের ঘটনায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছে। পরম করুণাময়ের কাছে প্রার্থনা করি ঐ পত্রিকার সংবাদদাতারা যেন সংসদে প্রধানমন্ত্রীর আজকের ভাষণটির ব্যাপারে জানতে না পারেন। কারণ আজকের ভাষণ খুবই নগ্ন সাক্ষ্য বহন করে যে আমাদের রাজনীতি তার গতানুগতিক আচরণ থেকে বেরুতে পারে নাই, পারে তো নাইই বরং এই সংকটের সময়ও তার কুৎসিত দিক বেরিয়ে এল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য থেকে আমরা জানতে পারলাম বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নাকি পরোক্ষ ভাবে ঐ অফিসারদের হত্যাকান্ডে জড়িত ছিলেন। সাংগঠনিক ভাবে বিরোধী দল অর্থাৎ বিএনপি নাকি এই নির্মম হত্যাকান্ডে মদদ জুগিয়েচছে। শুধু তাই নয়, হত্যাকারীদের পালিয়ে যেতে সাহায্য করেছে এই বিএনপিই। গোয়েন্দা মারফত প্রধানমন্ত্রী নিশ্চিত হয়েছেন যে ঘটনার আগের দুরাত বেগম জিয়া তাঁর বাসায় ছিলেননা, এবং আমাদের মাননীন প্রধানমন্ত্রী সন্দেহ প্রকাশ করেছেন যে সেই দুরাত বেগম জিয়া অফিসারদের হত্যা করার ষড়যন্ত্রে ব্যায় করে থাকতে পারেন। প্রধানমন্ত্রী সংসদের কোন প্রমাণ প্রদর্শন না করলেও বলেছেন বিরোধী দলের এগুলো অস্বীকার করার কোন উপায় নাই। এই প্রত্যেকটি কথা প্রধানমন্ত্রী আজ সংসদ অধিবেশন চলাকালীন সময়ে দ্ব্যার্থ কন্ঠে বলে গেলেন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যিনি বাংলাদেশের ইতিহাসে নির্বাচনে সবচেয়ে বড় বিজয় নিয়ে ক্ষমতায় আরোহণ করেছেন, এই পরিস্থিতে সংসদের দাঁড়িয়ে তাঁর এই বক্তব্যদানের কি উদ্দেশ্য থাকতে পারে? উদ্দেশ্য আপাতদৃষ্টিতে একটাই হতে পারে যে এধরণের সরাসরি অভিযোগের একটি কড়া জবাব দেয়ার জন্য বিএনপি ছটফট করতে থাকবে। বিএনপির এর জবাবে হয়তো এরকমই সারশূণ্য একটি বক্তব্য দিবে, কে জানে বিএনপির বক্তব্য এর চেয়েও সারশূণ্য হতে পারে। তার জবাবে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগ আরেকটি কড়া জবাব দিবে। এই নিয়ে পরষ্পরকে দোষারোপের প্রক্রিয়া চলতে থাকবে। আর এর মাঝে বিভ্রান্ত হবে দেশের সব মানুষ। শুনেছি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধান করে নাকি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যত বড় রাজনীতিকই হোননা কেন, তিনি দেশের ক্যাবিনেটের মেম্বার। সেই ক্যাবিনেটের নেতা হলেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী। তদন্তর কোন কুলকিনারা কেউ জেনে উঠবার আগেই প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে যদি এসব কথা শুনতে হয়, তবে সেই প্রধানমন্ত্রীর অধস্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে সম্পাদিত তদন্তের ফলাফল কি হবে, তা কি আমরা আগে থেকে ধারণা করতে পারিনা?

দেশের উপর এত বড় একটা আঘাত এল। তাতেও যদি আমরা শিক্ষিত না হই, তাতেও যদি আমরা গতানুগতিকের একটুও বাইরে কিছু করতে বা ভাবতে না পারি, তবে কি সামনে এগুনো সম্ভব? ২০০৭ সালের শুরু থেকে যখন ঢালাও ভাবে দেশের রাজনীতিকদের উপর আক্রমণ আসছিল, তখন রাজনীতির পক্ষে কথা বলে বলে আমরা মুখের ফেনা তুলেছি। তখন রাজনীতিকে কেউ গালমন্দ করলে সেই গালমন্দ নিজের গায়ে নিয়েছি এবং তার উপযুক্ত জবাব দিতে চেয়েছি। দুবছর পর আজ দেশের উপর এত বড় আঘাত হানা হল। এই সংকটের মুহুর্তে যদি দেখি ঐক্যের পথে, এগুনোর পথে বাধা হয়ে দাড়াচ্ছে সেই রাজনীতি, তবে এর উপর মানুষের শ্রদ্ধা থাকা কি সম্ভব? এর উপর মানুষ কেন আস্থা রাখবে? যখন কেউ বলেছে রাজনীতিবিদরাই দেশের এই হাল করেছেন, তখন তার জবাব দিয়েছি এই বলে যে দেশের প্রতিটি মানুষই রাজনীতিবিদ, রাজনীতিকে গালি দিলে নিজেকেও গালি দেয়া হয়। তো আমরা এ কোন রাজনীতির পক্ষে কথা বলেছিলাম? এতকিছুর পরও মানসিকতার বদল হয় না কেন? দায়িত্মবান পদের থেকে দায়িত্মহীন বক্তব্য দানের অবসান কবে হবে?

ETV Exclusive: BDR Mutiny in Dhaka Inside Story.

This is the video after Army was entered the Pillkhana to find the Missing Army Officials and showed on Ekushey TV that day as an exclusive.

CNN News: BDR Mutiny.

For The People Eyeing The Road to A Free Fair Election.

The Post was originally published on Xanthis Blog on 31st October, 2008. Here it is reposted without editing.

The present undemocratic, unelected and constitutionally proscribed government has virtualized a barometer that they use as a probability scale for the upcoming general election in December. They say this scale to be strictly showing that there will be a free and fair election in December this year. Every time an issue stands up that causes confusion over the election, they are to become stronger in their voices that “there is no confusion over election, politicians shouldn’t spread confusions”. Yesterday New Age editor Nurul Kabir has added some satire over the reality, that even the advisers, the fellow cabinet members when they are reached by him in some social gatherings, express their own confusions over the election when their conversation turns to a little more personal to nearer ones.

[Nurul Kabir told in Channel One’s Nirbachito Khobor:
বর্তমান সরকারের যারা উপদেষ্টা রয়েছেন, এখানে সেখানে তাদের সাথে যখন আমাদের কথা হয়, কানে কানে জিজ্ঞেস করলে তারাই তো বলেন, কি জানি ভাই ইলেকশান হবে কি না জানিনা]

Highest ranked people of the government among those who can be reached by the press but do not enjoy the power of the policy-maker, actually have no reasons to be believed as the reflectors of the real scene that his going on inside the present regime.

The truth is getting brighter as the election is closing in, that is they are only the civilian cream of a military backed government, is the velvet covers of an unwanted iron hand, should be designated as nothing more than errand men. As far as they are not allowed at the policy-making end of this regime, it’s expected that many of their speeches will have contradiction to the reality, as they themselves are not told the full story. So, it won’t be our bad if we underline the Appellate Division’s rejection of Hasina’s bail appeal two days after the unofficial spokesperson of this undemocratic regime Hossain Zillur Rahman told that there remains no legal blockade that could bar Sheikh Hasina and Begum Zia from the general election. People, who immensely look for a free fair election but never have come to believe this regime’s fable of a free and fair election in December this year, may remain impassive after the Appellate Division has made Hossain Zillur looking like a fool. But people, who have been nourishing their utmost optimism over a free and fair election by the end of this year, now should rethink a few things those they should have been taking under consideration from long before.

What can be a more unpalatable misfortune than a nation having this much uncertainty over an election that is very much up ahead? How somebody can have the right to blame others, who themselves tomorrow states the election will surely take place and the other day say there remains uncertainty? Don’t we find a free and fair election was never certain if we look back?

There are a lot of reasons to not get convinced that a free and fair election will take place by the end of this year. There have been many times where this regime has gone through the other way than what they told. There have been many times the words given by this regime has been proved to be fake and for sake of buying time by convincing the people. I have previously written these same very sentences many times in many posts. I like to show some reasons behind this of my opinions. Readers are requested to keep patience while going through my reasons given here.

Naked partialities in arbitrary arrests of politicians. Arbitrary arrests of politicians and shameless partiality to protect leaders those had belief on this regime more than a priest has on Christ. Do you think Sadek Hossain Khoka, Mannan Bhuiyan, Tofael Ahmed all are saints thrown from the heaven?

Patronage for establishing traitors’ factions in both the parties. The line between traitors and loyalists in BNP is now too clear because the October 29 hijack attempt was too noisy. On the other hand the attempt over Awami League has been a semi-success completely under disguise and still in action. Do you think Tofael-Amu-Suranjit-Razzaq quadro even does care about what Zillur Rahman thinks and wants? Don’t you know Sheikh Hasina had wanted names of those went to Heathrow to receive Amu? Don’t you know Sheikh Hasina sat him at the waiting room for hours and finally hasn’t seen him?

Double role about dynastical appointments. One of the major issues of this regime’s overthrowing the democracy was, removing political dynasties and family favouritism. BNP’s reformist Enam A. Chowdhury, kingpins of Oriental Bank scandal Selim A. Chowdhury and Masud A. Chowdhury, Foreign Adviser Iftekhar A. Chowdhury all are brothers having same parents. D. Fakhruddin Ahmed is their sisters’ husband while Hassan Mashhud Chowdhury is a cousin. Nazim Qamran Chowdhury, the husband of ex-adviser Geeti Ara Safia Chowdhury, who is charged in a graft charge, is another cousin who has never been sued. All these men and women from a single Sylheti Chowdhury family, can you show me a more depraved example than this ever took place in Bangladesh? Note it, the Oriental Bank misappropriation was done when D. Fakhruddin was the Governor of Bangladesh Bank.

Spiteful biasing of the anti-graft drive. The ACC anti-graft drive, more than a jihad to abolish corruption, has been a tool of political repression and keeping some officials under the thumb. GATCO graft case, which pulled almost all of the senior BNP 2001 cabinet members to the court, had two important names as suspects of grafts. They are D. Sadat Hussain and Maniklal Samaddar. These two have been cleared by the ACC investigation. D. Sadat, the overnight shushil, is now the Public Service Commission chairman and Manik Lal Samaddar has been named as the special assistant to Fakhruddin, equivalent to a minister. Anti-graft mujahidin, eh?

Minus Two Formula. There is no reason to forget the hide & seek game with Sheikh Hasina and unofficial house arrest of Khaleda Zia. There is no reason to forget the Home Ministry resolution that described how a threat Sheikh Hasina is to the national security and tranquility. Continuous attempts to send Begum Zia abroad for physical treatment and her constant denial are also not to be forgone.

• Severe mistreatment and brutalities with politicians. No other government after the end of cold war has been this brutal to politicians like the present undemocratic and unelected 1/11 government has been. The death of BNP leader Qaiyum Khan, who being a heart patient was not visited by a doctor for single time in his eleven month detention, was also kept unreachable to his family. He was allegedly tortured to death. We also have noted the vicious mistreatment and brutality with Chittagong’s popular mayor Mahiuddin Ahmed, who was barred from a court-ordered release, ultimately couldn’t get to his dying teenage daughter who died after her long fight with cancer. Who will answer the tears of Mahiuddin which he couldn’t resist while seated at Shah Amanat Airport departure lounge?  Brutal torture on Tareq Rahman, who is still uncertain about recovering ever in his life, has been left with two of the vertebral bones shattered due to estimated fall from a respectable altitude. Which of the mentioned brutalities above was has been felt necessary for a fair election? A government that has no respect for politicians, can they be relied for a free and fair election?

Election Commission’s complete loss of reliability. Can’t we remember how impudently the Chief Election Commission backed the unscrupulous treachery inside a political party? The CEC on September 1, 2007 told,

“জনাব মান্নান ভূঁইয়ার বহিস্কারাদেশটা অবৈধ ছিল, এটা শুধু আমিই মনে করি না, কমিশনের সবাই মনে করেন। এসব বিবেচনা করেই হাফিজুদ্দিন আহমেদকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। আরে বিএনপির তো সংবিধানই ঠিক নাই। যাইহোক, এসব রাজনীতির কথা, এখানে এগুলো বলে লাভ নাই। কেচো খুড়তে সাপ বেরিয়ে আসবে।“

Is this a statement from a man who is supposed to be neutral? A strong reason of unreliability lies in that statement from the Chief Election Commissioner. Now it’s your decision that whether he and his team are credible for a free and fair election.

Obscure treatment with Sheikh Hasina. If I am not wrong Sheikh Hasina was supposed to return home a week after the Eid-ul-Fitr. Now, there are happening a lot of talks invisibly so that all the realities cannot be explicable clearly. But having only some weeks before the election, Sheikh Hasina is still being obscurely barred to return home. Her party leaders ain’t seen sound to have her back to action. These are not at least signs of sincerity for a free fair election. This is also a reference to the second point.

Indefinite enforcement of emergency rules and denial to withdraw. Whereas the whole nation wants withdrawal of emergency rules, whereas both of the major parties wants the withdrawal without a delay, whereas one of the initial moral backers of this regime, the European Union wants the lift of these rules, the government is suspiciously and illegitimately wary to lift this tool of repression. A regime, who doesn’t feel comfortable to rule without having rights of people and freedom of all barred by the emergency rules, is difficult to rely for prosperous moves.

Repression and biasing over media. We shouldn’t be forgetting the events of August 17-21, 2007. We shouldn’t be forgetting the repression of the media, when no TV channels were allowed to broadcast their scheduled news shows. There was a mail to BDNews24 admin which asked him to not dare to be on air until further notification. We have also noted the fax from a special agency after Begum Zia’s release which mentioned phony information of Tareq’s leaving for abroad. Closure of CSB News in name of anti-graft drive and putting control over late night Ekushey Television political show are also to be remembered. Dirty role of Prothom Alo and Daily Star all over the 1/11 tenure and ACC’s complete overlooking the graft charges of Transcom boss Latifur Rahman is another addition. A government having true and honest sincerity towards an election; Are they usual to have necessity of such acts?

Impudent partiality. Playing blind about Ali Hasan Mujahid has been too noisy. Complete surrender to Islamic organizations has been too naked. Ali Hasan Mujahid’s meeting with Chief Adviser under an issued arrest warrant has abolished the total neutrality of the present government. It’s not like they have been neutral in all other cases than Mujahid’s one, but their sacred treatment of Ali Hasan Mujahid has been a shameless showdown and it came clear that, they are not to be relied as neutral.

After having all these points in knowledge, can we be so bum to count days for a free and fair election? Under this government?

We’ve Gone Numb.

I was browsing the blogs which I usually visits and found this post in Xanthis’s blog. You must read the post I think. I posted the article here. Thanks to Xanthis for his article. And I think your mind will say the same.


জেনারেল মইন উ. আহমেদের চাকরির মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ছে.

I found this post on this site http://www.sachalayatan.com/biplobr/14002
I am republishing it to my blog.
Let’s read this article.

জেনারেল মইন উ. আহমেদের চাকরির মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ছে। আগামী জুনে তার চাকরির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিলো। আজ রাষ্ট্রপতি এক আদেশে তার চাকরির মেয়াদ বাড়ালেন।

লক্ষ্যনীয়, এই সেনা প্রধান কোনো যুদ্ধ ছাড়াই কিছুদিন আগে লেফটেনেন্ট জেনারেল থেকে জেনারেল পদে পদোন্নতি পান।

দুই. এর পর তিনি আমাদের শুনিয়েছেন, এক আশ্চর্য গণতন্ত্রের কথা। সেটি হচ্ছে, নিজস্ব ধাঁচের গণতন্ত্র – ওন ব্র্যান্ড অব ডেমোক্রেসি।

তিন. সম্প্রতি তিনি ভারতীয় সেনা বাহিনীর কাছ থেকে পেয়েছেন লাল গালিচা সম্বর্ধনা। পরে ভারতীয় সেনা প্রধান তাকে উপহার দেন ছয় – ছয়টি ঘোড়া। (নিন্দুকেরা অবশ্য বলেন, ছয় অশ্বশক্তি!)

চার. গত সপ্তাহে বাজার ঘুরে তিনি চালের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে জনগণকে আলু খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। আর গতকাল বাজারে গিয়ে বলেছেন, দেশে পর্যাপ্ত চালের মজুদ আছে। কোনো সঙ্কট নেই। আতংকের কারণে চালের দাম বাড়ছে।

কার তাতে কী!
————–

এখন কয়েকটি অনিবার্য প্রশ্ন ঘুরেফিরে আসছে:

এক. জে. মইনের চাকরির মেয়াদ বাড়ায় জাতির কী উপকার হবে?

দুই. এটি কী পুরোপুরি সামরিক শাসন জারি করার পাঁয়তারা?

তিন. দুই নম্বর প্রশ্নটির উত্তর ‘হ্যাঁ’ হলে আমরা কী নিশ্চিতভাবে প্রথমে একজন নতুন প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক, পরে নতুন একজন রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছি?

চার. এই অনিশ্চিত যাত্রার অবসান কী এ বছর ডিসেম্বরে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনের মাধ্যমেই শেষ হবে?

কে জানে এই সব ‘অবান্তর প্রশ্নের পটু উত্তর’??

দেয়ালের লিখন, না যায় খণ্ডন
—————————

জরুরী অবস্থার ভেতরেও হঠাৎ হঠাৎ কিছু দেয়াল লিখন চোখে পড়ে। একজন সহব্লগার প্রেসক্লাবের পাশের দেয়ালের একটি লিখনের কথা জানিয়েছিলেন।

সেখানে নাকি লেখা ছিলো:

মর বাঙালি না খেয়ে ভাত,
ফখরুদ্দীনের আশির্বাদ!

খবরের লিঙ্ক

Story of the inhuman kinds.

Mr. Qayyum Khan was an elected local government representative in Dhaka constituency surrounding the military base in Dhaka. A few politicians have been arrested during the first hours after the military takeover on 11 January 2007. Mr. Qayyum Khan was one of them. Since then for the last 13 months, the authorities have kept Mr Khan in custody without even any charges made, forget about conviction. Although highcourt ruled his detention illegal and he was forced to be released on 10th January 2008, he was immediately arrested at Jail Gate. No specific charges were not made this time also. After being detained in Jail for 13 months without any trial and charges, Mr. Qayyum Khan finally came out last night. As a dead body. Mr. Khan died under custody.

Read the full story from Rumi Ahmed’s Blog.

General Moeen U Ahmed interview by VOA.

Here is the interview of General Moeen U Ahmed By VOA. I found these videos on YOUTUBE. So posted here to share with you guys. There is two part of the interview.
Click on the full story link to see the videos and interview.

Continue reading

Congo ambush kills nine Bangladeshi Army.

Nine United Nations peacekeepers from Bangladesh have been killed in an ambush in the Democratic Republic of Congo, the UN says.

The attack happened on Friday morning in the north-eastern Ituri region, where 4,800 peacekeepers are deployed.

A UN spokesman said the troops were ambushed by “unidentified armed elements” while they were on patrol.

The UN force in Ituri also includes peacekeeping troops from Pakistan, Morocco and Nepal.

The UN’s spokesman in Kinshasa, Mamdou Bah, said the ambush happened at about 0920 local time (0720 GMT) near the town of Kafe, 30km (19 miles) north-west of the provincial capital, Bunia.

The men killed were among 21 Bangladeshis on patrol in a camp housing civilians who had fled fighting in the region, the spokesman told the Associated Press news agency.

“These blue helmets were out there protecting people and they got ambushed while doing it.”

A spokesman for UN Secretary General Kofi Annan called the attack a “criminal act” and urged the government to bring those responsible to justice.

The Bangladeshi army issued a statement confirming the deaths, but did not release the soldiers’ identities. Officials said one of those killed was a captain.

The army said the bodies would be brought back to Bangladesh with the help of the UN.

Rival militias

Ituri has been the scene of bitter ethnic fighting for a number of years.

Violence between rival militias resumed in the mineral-rich province in December, and aid workers say tens of thousands of people have been displaced by the fighting – many fleeing to neighbouring Uganda.

UN forces have come under attack in Ituri before, but this is the first time that soldiers have been killed there, says the BBC’s correspondent in the region, Ishbel Matheson.

Bangladesh, which is one of the largest contributors to the UN peacekeeping operations across the world, has 1,300 troops in DR Congo.

This is the second biggest loss of life for the Bangladeshi army while on UN peacekeeping duties.

In October 2003, 15 Bangladeshi officers died in a plane crash in Liberia.

Bangladesh’s President Iajuddin Ahmed, Prime Minister Khaleda Zia and army chief Lt Gen Hasan Mashhud Chowdhury expressed deep shock at the death of the soldiers in Ituri.

In separate statements, the president and the prime minister said the contribution and sacrifice of the soldiers in maintaining peace would be remembered across the world.

SOURCE:
BBC News

More News On:
The Daily Star > > >
CNN > > >
Reuters > > >
VOA News > > >