Tribute to the shaheed members of the Bangladesh Army and Bangladesh Rifle’s (BDR) who sacrificed their lives for the beloved motherland – Bangladesh.

Tribute to the shaheed members of the Bangladesh Army and Bangladesh Rifle’s (BDR) who sacrificed their lives for the beloved motherland – Bangladesh.

Artist: By Hyder Husyn.
Proudly brought to you by bdmilitary.com

I  just post the Video Song to share this with you.

[Youtube=http://www.youtube.com/watch?v=FSkZbHOIpyU]

Writing With a Broken Heart : This Time The ‘Politics’

The Article Originally Pulished on http://comilla.wordpress.com/
I am republishing it here without any editing.
___________________________________________________________________

একজন বাংলাদেশী, যে তার দেশকে ভালোবাসে, যে তার দেশের সেনানীদের বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠজ্ঞান করে, যে দেশকে আক্রান্ত হতে দেখলে নিজেদের ভেতর মতাদর্শের বিভাজনকে গৌণ মনে করে, দেশের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে দেখবার জন্য ছটফট করে, তার মন ভেঙ্গে দেয়ার জন্যে পিলখানার ঘটনাটি যথেষ্ট ছিল। স্বাধীন বাংলাদেশে দেশের সেনাবাহিনীর উপর এত বড় আঘাত আর হয়নি। ঘটনাটি যেদিন ঘটে সেদিন কেউই বুঝে উঠতে পারেননি যে আসলে কি হয়েছে কিংবা এই অবস্থায় কি মনোভাব প্রদর্শন করা প্রয়োজন। যখন পিলখানার ভেতরে ও আশেপাশে পাওয়া যেতে থাকল দেশের গর্বের সন্তানদের ক্ষতবিক্ষত দেহ, তখন আর কারওরই বুঝতে বাকি থাকেনি যে এ কোন বিদ্রোহ, অসন্তোষ ও ক্ষোভের ফল হতে পারেনা। এ দেশের নিরাপত্তা বুহ্যের উপর এক আচমকা ও নৃশংস আঘাত, যা বাংলাদেশের শত্রুরা ঘটিয়েছে। বাংলাদেশের ক্ষতি হলে যাদের লাভ হয়, বাংলাদেশ এগিয়ে গেলে যাদের ক্ষতি হয়, তারাই এই কান্ড ঘটিয়েছে। এই ঘটনার ধারক বাহক যারা, তারা এই দেশের কেউ হতে পারে না, খোঁজ নিলে জানা যাবে কাগজে কলমে তারা হয়তো এদেশেরই মানুষ, কিংবা নয়, কিন্ত তারা বাংলাদেশের ঘৃণ্যতম শত্রু। এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান ঘটনাগুলো পিলখানার ভেতর ঘটলেও ধারণা করা কঠিন নয় যে পরিকল্পনা ছিল দেশের আরও ক্ষতি করার। দেশের সেনাবাহিনীতে চূড়ান্ত ক্ষোভের সঞ্চার করে সেখান থেকে প্রতিক্রিয়া আসতে পারে এমনটা আশা করা স্বাভাবিক, এমনটা ঘটতেই পারত। সেক্ষেত্রে দেশকে ইতমধ্যেই যে পরিমাণ দূর্বল করা হয়েছে, দেশ তার থেকে আরও অনেক বেশি দূর্বল হয়ে পড়ত। পরম করুণাময়ের কাছে অশেষ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি যে তা অবশেষে ঘটেনি। আবেগ ও ক্ষোভের বশে তাৎক্ষণাৎ প্রতিক্রিয়া প্রদর্শনের চেয়ে ধৈর্য্য ও দক্ষতার সাথে পরিস্থিতি সামাল দেয়াকেই আমাদের সশস্ত্র বাহিনী সঠিক মনে করেছে। এতে সেনাবাহিনীর প্রতি দেশের মানুষের শ্রদ্ধা বেড়েছে, সেনাবাহিনীর অধিনায়কদের প্রতি শ্রদ্ধা ও আস্থা বেড়েছে। আমরা আশা করি নিয়মতান্ত্রিক ভাবে ধাপে ধাপে এগিয়ে আমাদের সেনাবাহিনী দেশের উপর এই নৃশংস আক্রমনের নেপথ্য খুঁজে বের করবেন, এই ঘটনার দায়ীদের বিচারের সামনে উপস্থিত করবেন ও দেশের শত্রুদের নিধন করবেন।

আমাদের দেশে রাজনীতির সাথে জড়িত ব্যাক্তিবর্গ দেশের স্বার্থকে পাশ কাটিয়ে যখন একান্তই নিজ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেন, তখন তাকে আমরা বলি রাজনীতির নোংরা খেলা, কিংবা ডার্টি গেম। পিলখানায় সার সার পড়ে থাকা অফিসারদের মৃতদেহ গুলো দেখে মনে ভেঙ্গে গিয়েছিল। কিন্তু তারপরও সংশ্লিষ্ট সবার বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনীর অশ্রুসজল অথচ ধীরস্থির অবস্থান দেখে একটু একটু করে মনোবল ফিরে পাচ্ছিলাম। এই বোধটা জাগ্রত হতে শুরু করেছিল যে ঠিক সময় আমরা ঠিকই একতা ও মনোবল ফিরে পাই। কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় বাধ সাধছে দেশের রাজনীতি। আজ সংসদ অধিবেশনে জনপ্রতিনিধিদের বক্তব্যদানের ধরণ দেখে নিরাশ না হয়ে উপায় ছিলনা। আমি পুরো অধিবেশনটির সম্প্রচার দেখিনি। কিন্তু একদেড় ঘন্টা যাই দেখেছি, তাতে পারষ্পরিক দোষারোপ ছাড়া কিছুই ছিলনা। বিশেষ করে এই ক্রন্দনরত হৃদয়ে সবচেয়ে শক্তিশালী আঘাতটা বোধ হয় করলেন আমাদের স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী। শুনেছি ওয়াশিংটন পোস্ট, টেলিগ্রাফ, গার্ডিয়ান নাকি গত কয়েকদিনের ঘটনায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছে। পরম করুণাময়ের কাছে প্রার্থনা করি ঐ পত্রিকার সংবাদদাতারা যেন সংসদে প্রধানমন্ত্রীর আজকের ভাষণটির ব্যাপারে জানতে না পারেন। কারণ আজকের ভাষণ খুবই নগ্ন সাক্ষ্য বহন করে যে আমাদের রাজনীতি তার গতানুগতিক আচরণ থেকে বেরুতে পারে নাই, পারে তো নাইই বরং এই সংকটের সময়ও তার কুৎসিত দিক বেরিয়ে এল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য থেকে আমরা জানতে পারলাম বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নাকি পরোক্ষ ভাবে ঐ অফিসারদের হত্যাকান্ডে জড়িত ছিলেন। সাংগঠনিক ভাবে বিরোধী দল অর্থাৎ বিএনপি নাকি এই নির্মম হত্যাকান্ডে মদদ জুগিয়েচছে। শুধু তাই নয়, হত্যাকারীদের পালিয়ে যেতে সাহায্য করেছে এই বিএনপিই। গোয়েন্দা মারফত প্রধানমন্ত্রী নিশ্চিত হয়েছেন যে ঘটনার আগের দুরাত বেগম জিয়া তাঁর বাসায় ছিলেননা, এবং আমাদের মাননীন প্রধানমন্ত্রী সন্দেহ প্রকাশ করেছেন যে সেই দুরাত বেগম জিয়া অফিসারদের হত্যা করার ষড়যন্ত্রে ব্যায় করে থাকতে পারেন। প্রধানমন্ত্রী সংসদের কোন প্রমাণ প্রদর্শন না করলেও বলেছেন বিরোধী দলের এগুলো অস্বীকার করার কোন উপায় নাই। এই প্রত্যেকটি কথা প্রধানমন্ত্রী আজ সংসদ অধিবেশন চলাকালীন সময়ে দ্ব্যার্থ কন্ঠে বলে গেলেন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যিনি বাংলাদেশের ইতিহাসে নির্বাচনে সবচেয়ে বড় বিজয় নিয়ে ক্ষমতায় আরোহণ করেছেন, এই পরিস্থিতে সংসদের দাঁড়িয়ে তাঁর এই বক্তব্যদানের কি উদ্দেশ্য থাকতে পারে? উদ্দেশ্য আপাতদৃষ্টিতে একটাই হতে পারে যে এধরণের সরাসরি অভিযোগের একটি কড়া জবাব দেয়ার জন্য বিএনপি ছটফট করতে থাকবে। বিএনপির এর জবাবে হয়তো এরকমই সারশূণ্য একটি বক্তব্য দিবে, কে জানে বিএনপির বক্তব্য এর চেয়েও সারশূণ্য হতে পারে। তার জবাবে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগ আরেকটি কড়া জবাব দিবে। এই নিয়ে পরষ্পরকে দোষারোপের প্রক্রিয়া চলতে থাকবে। আর এর মাঝে বিভ্রান্ত হবে দেশের সব মানুষ। শুনেছি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধান করে নাকি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যত বড় রাজনীতিকই হোননা কেন, তিনি দেশের ক্যাবিনেটের মেম্বার। সেই ক্যাবিনেটের নেতা হলেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী। তদন্তর কোন কুলকিনারা কেউ জেনে উঠবার আগেই প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে যদি এসব কথা শুনতে হয়, তবে সেই প্রধানমন্ত্রীর অধস্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে সম্পাদিত তদন্তের ফলাফল কি হবে, তা কি আমরা আগে থেকে ধারণা করতে পারিনা?

দেশের উপর এত বড় একটা আঘাত এল। তাতেও যদি আমরা শিক্ষিত না হই, তাতেও যদি আমরা গতানুগতিকের একটুও বাইরে কিছু করতে বা ভাবতে না পারি, তবে কি সামনে এগুনো সম্ভব? ২০০৭ সালের শুরু থেকে যখন ঢালাও ভাবে দেশের রাজনীতিকদের উপর আক্রমণ আসছিল, তখন রাজনীতির পক্ষে কথা বলে বলে আমরা মুখের ফেনা তুলেছি। তখন রাজনীতিকে কেউ গালমন্দ করলে সেই গালমন্দ নিজের গায়ে নিয়েছি এবং তার উপযুক্ত জবাব দিতে চেয়েছি। দুবছর পর আজ দেশের উপর এত বড় আঘাত হানা হল। এই সংকটের মুহুর্তে যদি দেখি ঐক্যের পথে, এগুনোর পথে বাধা হয়ে দাড়াচ্ছে সেই রাজনীতি, তবে এর উপর মানুষের শ্রদ্ধা থাকা কি সম্ভব? এর উপর মানুষ কেন আস্থা রাখবে? যখন কেউ বলেছে রাজনীতিবিদরাই দেশের এই হাল করেছেন, তখন তার জবাব দিয়েছি এই বলে যে দেশের প্রতিটি মানুষই রাজনীতিবিদ, রাজনীতিকে গালি দিলে নিজেকেও গালি দেয়া হয়। তো আমরা এ কোন রাজনীতির পক্ষে কথা বলেছিলাম? এতকিছুর পরও মানসিকতার বদল হয় না কেন? দায়িত্মবান পদের থেকে দায়িত্মহীন বক্তব্য দানের অবসান কবে হবে?

ETV Exclusive: BDR Mutiny in Dhaka Inside Story.

This is the video after Army was entered the Pillkhana to find the Missing Army Officials and showed on Ekushey TV that day as an exclusive.

CNN News: BDR Mutiny.

BSF The Killers-Again killed three Bangladeshis.

Another killing festival by BSF (India’s Border Security Force) done yesterday. This time it is in Moyanaguri village of the Majhipara border area in Tentulia, Panchagarh.

An infant, the mother and another Bangladeshi were killed late Sunday night by India’s Border Security Force on the country’s northernmost border. At least one other person, Majeda’s husband Shahidul, 30, was critically wounded and taken to Rangpur Medical College Hospital.

BSF personnel entered Moyanaguri village of the Majhipara border area in Tentulia, crossing the border through the Pillar-435 area at around 10.15pm.

They started opening fire after villagers had intercepted them.  Shahidul, Majeda and Mamun were shot as they lay asleep in their home.

Shahidul’s neighbour, Alamgir Hossain said: “I was woken by the sound of gunfire and realised it was BSF. I cycled to Matirpara BDR camp for help.”

Two sides traded fire after BDR members reached the spot.

The Indian border guards eventually withdrew. “BDR members with villagers later captured one BSF man,” the major said.

Now my questions is- Why BSF cross border? Because it is not first time. They entered Bangladeshi land before and killed many civilians before. I have few previous posts, which links are given bellow.

Previous Posts:

BSF Killers-Killing Continues!!!

BSF-The Killers!!!

BSF Killers-Killing Continues!!!

I just completed my previous post “BSF-The Killers!!!” and was watching Television News and shocked to see the news.

BSF still contiounes killing Bangladeshis.

But this time is in Jessore.

The BSF shot dead two Bangladeshis on Chougachha border in Jessore Saturday, a day after two BDR members were killed by The Border Security Force of India (BSF).

The dead have been identified as Rezaul Islam (32) and Zainal Abedin (35) of Sukh Pukuria village under Chougachha, Jessore.

BDR Jadavpur company commander Mosharraf Hossain alleged that the BSF had killed the two Bangladeshi youths without any “provocation”. [In my just previous post I wrote that BSF’s regular duty is to kill Bangladeshish regularly and it is just an example.]

“Rezaul Islam and Zainal Abedin were near the barbed wire fencing in Panchpirtala border area around 5am, Hossain said. “At the time, BSF members from Moshrumpur border opened fire on them.”

Rezaul and Zainal collapsed in a hail of bullets and died on the spot, the BDR officer said.

The patrolling BDR members hearing the gunshots retaliated with rounds of blank fire.

BSF dragged the bodies into the Indian territory, the BDR officer said. (In my just Previsous post I also metioned that BSF took the dead body to India after killing)

Indian border guards gunned down two BDR men on the Raghunathpur border in Chapainawabganj early Friday, which coincided with a two-day foreign secretary-level meeting between Bangladesh and India in New Delhi.

Following the incident, the BDR and BSF members held a flag meeting, where Bangladesh border guards pressed for a probe into the killings of the BDR officers.

But I know that it will do nothing. Because BSF will continoue killing and Bangladesh will talk about peace and Indian media will focus the news like that-“Two Bangladeshi smugglers were trying to enter India and they warned them but they didn’t hear and they fired and killed the smugglers.”

BSF-The Killers!!!

The Border Security Force of India (BSF) shot dead two Bangladesh Rifles (BDR) soldiers at Raghunathpur border under Shibganj upazila in Chainawabganj early yesterday intruding into Bangladesh territory, sparking off tension at all frontiers around the country.

BDR officials said BSF guards opened fired on their personnel when they challenged the latter for illegally entering about 1,300 yards into Bangladesh territory shortly after Thursday midnight.

A group of BSF guards from Neemtita camp under Murshidabad district entered Bangladesh crossing the River Padma on a speedboat and walked over a risen shoal to Raghunathpur village of Durlobhpur union under Shibganj upazila near pillar No 110.

Being informed, a patrol team of BDR from Raghunathpur border post led by Habilder Abdul Hannan Sarker rushed to the village and challenged the intruding BSF men for violating the line of control, reported our Chapainawabganj correspondent.

Two BSF bullets hit Hannan while six hit Lance Nayek Krishnopodo Saha as BSF men suddenly opened fire on them, killing them instantly.

Forces from the 39th rifles battalion later recovered the body of Hannan, 55 of Kritunia Durgahat vilage under Gabtoli in Bogra, and of Saha, 28, of Kholabari Shimakhali village under Shalikha upazila in Magura.

The bodies of the slain BDR soldiers were sent to their homes after post-mortem in Chapainawabganj Sadar Hospital.

A villager Atul Gani that the bodies were recovered from a pool of blood. “Blood marks were also on the trail of BSF men’s escape path,” said the villager. (Source: The Daily Star)

Immediately after the killings, BDR retaliated with full force trading over 200 rounds of shots with BSF for about an hour.

“BSF intruded illegally and opened fire without any provocation,” Director (Operation and Training) of BDR Col Abdul Halim told a hurriedly arranged news briefing at BDR Headquarters in Dhaka.

“In the face of BDR’s counter attack, the BSF men fled leaving their speedboat behind,” Halim said adding that they also arrested an Indian national from the spot.

“We’ve been informed that a BSF member also died in the gunfight,” he told reporters. “The incident could have been prevented had the BSF not opened fire.”

BDR strongly protested the incident. “It’s a serious border violation by BSF,” Lt Col Golam Kibria Md Neyamatullah, commanding officer (CO) of the 39th battalion, told The Daily Star.

BDR members seized the speedboat left by intruding BSF personnel, a walkie-talkie, a BSF cap, and bullet casings from the scene.

It is not the first time BSF crossed Bangladeshi border. They crossed it several times before. They don’t obey the border and crossed several times before and we can say regularly. Previously some BSF people was killed inside Bangladesh in a crops filed few years ago. Except these many prove are there of BSF aggression in Bangladesh.

The killings stirred tensions at other frontiers also where BDR deployed reinforcements ordering them to remain on high alert.

Reinforcements were made at the borders and were kept alert since the morning. Residents of border areas were also seen on guard shoulder to shoulder with BDR personnel.

BDR also warned villagers and farmers of border areas to refrain from going to zero point areas for cultivation. An uneasy calm has been prevailing at the frontiers.

At the flag meeting between sector commanders of BDR and BSF held at Masudpur border point in the afternoon, BSF defended their actions and rejected Bangladesh proposal for a joint investigation into the incident.

Rajshahi BDR sector commander Col Mohammad Iqbal and Bahrampur BSF sector commander DS Sidhu led their respective sides. BSF also did not admit that they had violated the international border but agreed to reduce tension on the borders, meeting sources said. This clearly indicates that BSF truly crossed Bangladeshi border and open fired BDR men.

BBC Bangla Service, however, reported that BSF expressed regret for the killings at the flag meeting as it is normal in heir behavior and which is not new.

BSF regularly killed Bangladeshis inside Bangladeshi border and take they body to India.  It seems that it is their regular duty to kill civillinas of Bangladesh.